এই বিষয়টি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রধান উপ-মুখপাত্র 
সরকার পতনের তিন মাস পর, গত ১০ নভেম্বর ঢাকায় প্রথমবারের মতো একটি কর্মসূচির আয়োজন করে আওয়ামী লীগ, কিন্তু সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়। এই বিষয়টি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, “আমরা ভিন্নমতের স্বাধীনতা এবং বিরোধী দলসহ সকলের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারকে সমর্থন করি। আমাদের দৃষ্টিকোণে, এসব স্বাধীনতা যেকোনো গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ।” তিনি এ মন্তব্যটি মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) স্থানীয় সময় নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমরা নিয়মিতভাবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারসহ আমাদের সকল অংশীদারদের এই সমর্থনের কথা জানিয়ে থাকি। দেশে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ প্রতিষ্ঠিত করতে এসব স্বাধীনতাগুলো রক্ষা করা এবং সমুন্নত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
এছাড়া, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিলের বিষয়েও সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন। এক সাংবাদিক জানান, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) ব্যুরো প্রধানসহ বাংলাদেশের ১৮৪ জন সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কি কোনো পদক্ষেপ নেবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে বেদান্ত প্যাটেল বলেন, “আমি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি দেখিনি, তবে যদি এটি সত্যি হয়, তবে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশের পরিস্থিতি বা যেকোনো পরিস্থিতি সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য মুক্ত গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা সবসময় সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বাধীনতাকে যথাযথভাবে সম্মানিত হওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করি এবং নিশ্চিত করতে চাই যে এটি সঠিকভাবে রক্ষা করা হচ্ছে।”

0 coment rios: