**বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে দুই প্রেমিকার অনশন**
![]() |
| বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে দুই প্রেমিকার অনশন |
![]() |
| ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুণ |
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের গাগান্না গ্রামে দুই তরুণী এক তরুণকে বিয়ে করতে অনশনে বসেছেন। শনিবার রাত ৮ টার দিকে ইকরামুল হকের ছেলে শাহিনের বিয়ের দাবিতে তারা সেখানে অবস্থান করেন। 1
শনিবার বিকেলে পার্শ্ববর্তী হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাপাশহাটিয়া ইউনিয়নের ঘোড়াগাছা গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে রুনা খাতুন শাহিনের বাড়িতে হাজির হন। রুনার খবর পেয়ে সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে সাদিয়া খাতুনও বিয়ের দাবিতে তার বাড়ি থেকে চলে আসে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, রুনা এবং শাহীনের মধ্যে দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের দুই পরিবারই বিয়েতে রাজি ছিল, কিন্তু শাহীন ধর্ষণ মামলার আসামি হওয়ার পর তার পরিবার বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায়। রুনাকে অন্যত্র বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হলে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে শাহিনের কাছে চলে আসে। অন্যদিকে, গত দুই মাস ধরে সাদিয়ার সঙ্গে শাহীনের নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাদিয়া যখন শাহীনের বিয়ের খবর শুনে তার বাড়িতে আসে, তখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে যায়।
রুনা বলেন, "শাহিনের সঙ্গে আমার দুই বছরের সম্পর্ক। আমাদের বিয়েতে দুই পরিবারই রাজি ছিল, কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। আমি শাহিনকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবো না, তাই আমি এখানে এসেছি। শাহিন যদি অন্য মেয়েকে বিয়ে করে, তাতে আমার কিছু মনে হবে না।"
সাদিয়া জানান, "শাহিনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দুই মাসের। সে আমাকে বিয়ের জন্য তার বাড়িতে আসতে বলেছিল, কিন্তু তখন সমস্যা হয়েছিল। এখন আবার অন্য মেয়ের আসার খবর পেয়ে আমি এসেছি। আমি তাকে ভালোবাসি এবং সে আমাকে বিয়ে করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।"
এ ব্যাপারে শাহিন বলেন, "দুই মেয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল, কিন্তু এখন তা নেই। তারা বিয়ের জন্য এসে আমাকে যেহেতু চায়, তাই আমি তাদের দুজনকেই বিয়ে করতে রাজি।"
হলিধানী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সন্তোষ কুমার জানান, রাতের পর সাদিয়া তার বাড়িতে ফিরে গেছে এবং রুনাকে শাহীন বিয়ে করেছে।



0 coment rios: